অ্যাপথাস আলসার তিন ধরণের। যেমন-
১। মাইনর অ্যাপথাস আলসার:
২। মেজর অ্যাপথাস আলসারএবং
৩। হারপিটাইফরম অ্যাপথাস আলসার।
অ্যাপথাস আলসারের ব্যাখ্যাঃ
১। মাইনর অ্যাপথাস আলসারঃ এই অ্যাপথাসে এতটা ব্যাথা হয় না। এটি আকারে ছোট সাধারণত ১০ মিমি এর চেয়ে কম। এটি একক আলসার বা গুচ্ছ হিসাবে গঠন করে। প্রায় ৮০ শতাংশ গৌণ (মাইনর) প্রকৃতির হয়ে থাকে। এটি এক বা দুই সপ্তাহ স্থায়ী থাকে।
২।মেজর অ্যাপথাস আলসারঃ এই অ্যাপথাসে খাওয়া আর পান করার সময় খুব ব্যাথা হয়। এটি আকারে ৫ মিমি বা তার চেয়ে বড় হয়। এটি কমপক্ষে দুই সপ্তাহ বা কয়েক মাস স্থায়ী থাকে তবে কিছু ক্ষেএে এক-দুই বছরও স্থায়ী হয়।
৩। হারপিটাইফরম অ্যাপথাস আলসারঃ এই অ্যাপথাসে যখন একাধিক পিনপয়েন্টের ক্ষতগুলি একসাথে ফিউজ হয় এবং বড়, অনিয়মিত আকারের আলসার গঠন করে। এটি আকারে ৫ মিমি হয়। ১০ শতাংশ ক্ষেএে এ আলসার হয়ে থাকে।
৩। হারপিটাইফরম অ্যাপথাস আলসারঃ এই অ্যাপথাসে যখন একাধিক পিনপয়েন্টের ক্ষতগুলি একসাথে ফিউজ হয় এবং বড়, অনিয়মিত আকারের আলসার গঠন করে। এটি আকারে ৫ মিমি হয়। ১০ শতাংশ ক্ষেএে এ আলসার হয়ে থাকে।
অ্যাপথাস আলসার দেখতে কেমনঃ
গালের বা ঠোঁটের ভিতরের দিকে বা জিভের ওপরে দেখা দেয়। সাধারণত একটি জায়গা ফুলে উঠে এবং তার চারপাশে লাল হয়ে যায়। ক্ষতটি দেখতে হ্লুদ বা ধূসর রঙের হয়।
অ্যাপথাস আলসা্রের লক্ষণঃ
অ্যাপথাস আলসা্রের লক্ষণঃ
এই অ্যাপথাসে খুবই নরমাল লক্ষণ দেখা যায় যেমন- জিহ্বায় জ্বলন বা চুলকানি হয়, খেতে খুব কষ্ট হয়, কথা বলতে কষ্ট হয়, অনেক লালা বের হয়। তবে বিশেষক্ষেএে লসিকা নোড ফোলা, জ্বর এবং শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেয়।
অ্যাপথাস আলসারের কারণসমূহঃ
১। পারিবারিক প্রবণতা
২। মানসিক চাপ
৩। খাদ্যে এলারজিজনিত কারণে
৪। ভিটামিন বি১২, আয়রন এবং ফলিক এসিডের অভাবজনিত কারণে
৫। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে
৬। অতিরিক্ত সাইট্রাস ফল খেলে, যেমন-কমলা অথবা লেবু।
৭।দাঁত দ্বারা কামড়ানোর ফলে কোনো ক্ষত।
৮। শক্ত টুথব্রাশ বা সুচালো বাঁকা দাঁতের আঘাতে।
প্রতিকারঃ
১।মুখের যেখানে ঘা হয়েছে সেখানে দাঁতের খোঁচা লেগে আরও বেড়ে যেতে পারে।ঐ ক্ষত স্থানে মধু লাগালে আস্তে আস্তে কমবে।
২। মাউথ ওয়াশ ব্যবহার না করাই ভালো অনেকক্ষেএে আলসার আরো বেড়ে যায় তাই লবণ মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করতে হবে। কারণ লবণ এন্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।
৩। মশলাযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে যতদিন না ঘা ভালো হয়।
৪। অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠাণ্ডা খাবার খাওয়া যাবে না। এমনকি অতিরিক্ত চা-কফি পান করা যাবে না।
৫। টক দই খাওয়া ভালো কারণ দই প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।কলা খেলেও অনেক উপকার হয় কারণ মুখের ভেতর অভ্যন্তরীণ আবরণ সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
৬। লবঈ, পুদিনা পাতা, কাচাঁ হ্লুদ এগুলো খেলে অনেক দ্রুত ভালো হয়ে যায় কারণ এগুলো ব্যাকটেরিয়া বিরোধী এবং প্রদাহ নাশকারী হিসেবে কাজ করে।
৭। অ্যলোভেরার পাতা থেকে রস লাগালে দ্রুত ভালো হয়।
৮।কুসুম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে গড়্গড়া করলে ভালো হবে ধীরে ধীরে।
এগুলোর পাশাপাশি আমাদের মুখের ও জিহ্বার যত্ন নিতে হবে,
১। প্রতিদিন দু’বার দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
২।মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাওয়া।
৩।প্রতিদিন লবণ-পানি কুলি করার অভ্যাস করা।
৪। ফল-মূল খাওয়া।
অ্যাপথাস আলসারের কারণসমূহঃ
১। পারিবারিক প্রবণতা
২। মানসিক চাপ
৩। খাদ্যে এলারজিজনিত কারণে
৪। ভিটামিন বি১২, আয়রন এবং ফলিক এসিডের অভাবজনিত কারণে
৫। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে
৬। অতিরিক্ত সাইট্রাস ফল খেলে, যেমন-কমলা অথবা লেবু।
৭।দাঁত দ্বারা কামড়ানোর ফলে কোনো ক্ষত।
৮। শক্ত টুথব্রাশ বা সুচালো বাঁকা দাঁতের আঘাতে।
প্রতিকারঃ
১।মুখের যেখানে ঘা হয়েছে সেখানে দাঁতের খোঁচা লেগে আরও বেড়ে যেতে পারে।ঐ ক্ষত স্থানে মধু লাগালে আস্তে আস্তে কমবে।
২। মাউথ ওয়াশ ব্যবহার না করাই ভালো অনেকক্ষেএে আলসার আরো বেড়ে যায় তাই লবণ মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করতে হবে। কারণ লবণ এন্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।
৩। মশলাযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে যতদিন না ঘা ভালো হয়।
৪। অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠাণ্ডা খাবার খাওয়া যাবে না। এমনকি অতিরিক্ত চা-কফি পান করা যাবে না।
৫। টক দই খাওয়া ভালো কারণ দই প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।কলা খেলেও অনেক উপকার হয় কারণ মুখের ভেতর অভ্যন্তরীণ আবরণ সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
৬। লবঈ, পুদিনা পাতা, কাচাঁ হ্লুদ এগুলো খেলে অনেক দ্রুত ভালো হয়ে যায় কারণ এগুলো ব্যাকটেরিয়া বিরোধী এবং প্রদাহ নাশকারী হিসেবে কাজ করে।
৭। অ্যলোভেরার পাতা থেকে রস লাগালে দ্রুত ভালো হয়।
৮।কুসুম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে গড়্গড়া করলে ভালো হবে ধীরে ধীরে।
এগুলোর পাশাপাশি আমাদের মুখের ও জিহ্বার যত্ন নিতে হবে,
১। প্রতিদিন দু’বার দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
২।মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাওয়া।
৩।প্রতিদিন লবণ-পানি কুলি করার অভ্যাস করা।
৪। ফল-মূল খাওয়া।
Tags:
Self Treatment
