সেরা ৫ টি উপায়ে মেদ কমান

সেরা ১০ টি উপায়ে মেদ কমান।
সেরা ৫ টি উপায়ে মেদ কমান।

পেটে মেদ বা চর্বি  সবারই কম বেশি হতে দেখা যায়। এটি সাধারণত অতিরিক্ত  চর্বি  জাতীয় খাদ্য গ্রহণের ফলে হয়ে থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায় এর সাথে ওজনও বাড়ে আর পেট বড় হয়। সময়ের সাথে সাথে এটি বাড়তে থাকবে যদি ঠিকমত যত্ন নেওয়া না হয়। আমরা অল্প কিছু অভ্যাসের মাধ্যমেই মেদ কমাতে পারি।


ফ্যাটঃ 

এটি হল এডিপোজ টিস্যু যা আমাদের দৈনন্দিন কাজে কিছুটা ব্যবহার হয়। যদি এমন হয় যে আমরা তিনবেলা খেতে পারিনি তাহলে ঐ জমানো  শক্তি আমাদের টিকে থাকতে সাহায্য করে। এডিপোজ কোষ দুই ধরনের হয়, সাদা আর বাদামী। সাদা কোষের কাজ প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য শক্তি  জমানো আর বাদামী কোষের কাজ আমাদের দেহকে গরম রাখা।


মেদ জমার কারণঃ 

সকালের নাস্তা যদি খাওয়া না হয় তাহলে কিন্তু কাজ করারও শক্তি থাকে না এমনকি মেদ ও জমতে থাকে প্রতিনিয়ত। এমনকি  এক জায়গায় অনেকক্ষণ বসে থাকলেও মেদ জমার সম্ভাবনা বেশি। ঠিকমত ঘুম না হলে, খাবার সারাদিন না খেলে, ফাস্টফুড খাবার খেলে মেদ বাড়তে থাকে। অতিরিক্ত কার্বোহাইডেট শরীরের জন্য খুবই  ক্ষতিকর তাই আমাদের কোল্ড ড্রিংক এই জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।


পেটের মেদ কমানোর উপায়ঃ

Sweet
১। মিষ্টি ও নরম পানীয় খাবার পরিহারঃ ক্লোড ড্রিংক খাওয়া একেবারে পরিহার করতে হবে। যত মিষ্টি জাতীয় শরবত যেমন লেবুর শরবত, ফলের জুস ইত্যাদি চিনি দিয়ে খাওয়া বাদ দিতে হবে। কারণ চিনিতে অর্ধেক গ্লুকোজ, অর্ধেক ফ্রুক্টোজ আর লিভারে মেটালাইজড হয়। অতিরিক্ত চিনি লিভার আর পেটের ফ্যাট জমায় অনেক বেশি যা শরীরের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে। কিন্তু ফল খাওয়ার ব্যাপারে কোন নিষেধ নেই তাতে শরীরের কোন ক্ষতি হয় না। তাই আমাদের চিনি জাতীয় তরল খাবার পরিহার করতে হবে। 

soluble fiber

২। সলিউবল ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াঃ আমাদের বেশি করে ফল ও সবজি খেতে হবে, এতে করে আমাদের শরীর ঠিকমত পুষ্টি পাবে। তাই আমাদের সলিউবল ফাইবার যুক্ত খাদ্য খেতে হবে, যা আমাদের পেটে অনেকক্ষণ থাকে। কারণ উদ্ভিজ্জ খাবারে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। ঘন ঘন ক্ষুধাও লাগবে না।



stress
৩। চিন্তামুক্ত থাকাঃ অতিরিক্ত চিন্তা করলে অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ডস থেকে করটিসল তৈরি হয় যা পেটের চর্বি বাড়ায়। এই করটিসল যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত। বিশেষ করে মহিলাদের এই জন্যই বেড়ে থাকে পেটের চর্বি। তাই চিন্তামুক্ত থাকার জন্য ঘুম থেকে উঠে ইয়োগা করতে হবে এতে করে হরমোন লেভেল নরমাল থাকবে।



carbohydrate
৪। কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমানঃ  দৈনন্দিন খাবার থেকে একেবারে এটি খাওয়া বাদ দেওয়া ঠিক নয়। তাহলে শরীরে এর পরিমাণ কমে যাবে। রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট আর ভাজাভুজি খাওয়ার অভ্যাস করা যাবে না।




proteins

৫। প্রোটিনের মাত্রা বাড়ানঃ আজকাল আমাদের সবার কমবেশি অতিরিক্ত ওজন এর সাথে পেটের চর্বি ও বাড়তে থাকে। যখন কেউ ডায়েট করে তখন দেখা যায় প্রোটিনের চাহিদা কমে যাচ্ছে তখন শরীর দুর্বল ও হয়ে পড়ে। প্রোটিনের মাত্রা ঠিক রাখার জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ ডায়েট করলে ক্ষুধা কমিয়ে রাখবে অপর দিকে মেটাবলিজমের হার বাড়াবে। যেমন বাদাম, দুধ ও দুধজাত খাবার, মাছ, ডিম(কুসুমসহ), ডাল ইত্যাদি খেতে হবে।



এছাড়া সকালে ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানির সাথে লেবু মিশিয়ে খেলে মেদ কমবে। অথবা পুদিনা পাতা, লেবু,ঠান্ডা পানি একসাথে মিশিয়ে খেলে কমবে।   তারপর ১ ঘণ্টা হাঁটলে আস্তে আস্তে কমতে থাকবে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন